আইসিটি সহ সকল আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়!
প্রতি সপ্তাহে মাল্টি মিডিয়া ক্লাস সহ প্রয়োজনীয় আইসিটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ধারনা দেওয়া হয়। যাতে শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান মনষ্কতায় ও উন্নত জীবন দর্শনে উদ্ভুদ্ধ হতে পারে। শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে ছোট ছোট প্রজেক্ট তৈরি ও পাঠদানে ব্যবহার করার মাধ্যমে শিক্কার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের প্রতি অসীম আগ্রহ সুউষ্টি করার চেষ্টা করা হয়।
এছাড়াও বেসিক আরবি অত্যন্ত যত্নসহকারে শিখানো হয়।
সহকারী শিক্ষক বৃন্দ
রেনু পারভীন
সহকারী শিক্ষক
মর্জিনা বেগম
সহকারী শিক্ষক
ইমরান খান
সহকারী শিক্ষক
মোঃ সাইফুল্লাহ
সহকারী শিক্ষক
বিদ্যালয়ের ইতিহাস
১৯৯৪ সালে প্রথম মাত্র দুই জন শিক্ষক নিয়ে বিদ্যালয়টি একটি স্যাটেলাইট স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতিয়করণ করা হয়। তখন মাত্র ৫০ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক নিয়ে শ্রেণি কার্যক্রম চলমান থাকলেও বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে প্রায় ১১৫ জন শিক্ষার্থী এবং ৫ জন শিক্ষক আছেন। প্রধান শিক্ষকের অক্লান্ত পরিশ্রম ও অন্যান্য শিক্ষকদের সহযোগীতায় ২০২৪ সালে বিদ্যালয়টি পাথরঘাটা উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করে।
ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য, এলাকার গন্যমান্য সকলের সার্বিক সহযোগিতায় বিদ্যালয়টি ক্রমশ উন্নতির দিকে ধাবিত হচ্ছে।
উপজেলা শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক-২০২৪
জেলা শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক -২০২৬
২০২৪ সালের পাথরঘাটা উপজেলার শ্রেষ্ঠ সহকারী শিক্ষক এবং ২০২৬ সালে জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ট সহকারী শিক্ষক নির্বাচিত হন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক জনাব মোঃ সাইফুল্লাহ। তিনি ২০২০ সালে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন এবং তখন থেকে বিদ্যালয়ের সকল উন্নয়নমূলক কাজে অন্যান্যন শিক্ষকদের সাথে প্রথক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন।
তিনি ঢাকা রাইফেলস পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচ এস সি (HSC) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি বি এ (BBA) ও এম বি এ (MBA) ডিগ্রী লাভ করেন। তার শৈশব কেটেছে পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নে।
বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে এবং শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ইনোভেটিভ স্কিলের জন্য তাকে উপজেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচন করা হয়। তিনি গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজি বিষয়ে পাঠদান করেন।
শিক্ষার্থীদের কৃতিত্ব
ফুটবল টুর্ণামেন্ট-২০২৪
মাস্টার ট্রেইনার

প্রাথমিক বিজ্ঞান
২০২৪ সালে পাথরঘাটা উপজেলার ১৪৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষক প্রতিযোগিকে পিছনে ফেলে প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের মাস্টার ট্রেইনার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব ইমরান খান।

সামাজিক বিজ্ঞান
২০২৪ সালে পাথরঘাটা উপজেলার ১৪৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষক প্রতিযোগিকে পিছনে ফেলে প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ের মাস্টার ট্রেইনার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব মোঃ সাইফুল্লাহ।
ইনোভেটিভ প্রজেক্টস
One Minute Reading
সপ্তাহে কমপক্ষে দুই দিন সকল শিক্ষার্থীকে এক মিনিট বিরিতিহীনভাবে রিডিং পড়তে হয়। তখন অন্য শিক্ষার্থীরা ভুলের সংখ্যা ও ধরণ তাদের খাতায় লিখে রাখে। পরবর্তীতে সকল শক্ষার্থী শিক্ষকের সহায়তায় ভুল সংশোধন করে নেয়। এভাবে "ওয়ান মিনিট রিডিং" (One Minute Reading) শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি রিডিং পঠনে কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।
Five Minutes Writing
সপ্তাহে কমপক্ষে দুইদিন সকল শিক্ষার্থীকে নন্সটপ পাঁচ মিনিট টেক্সটবুক থেকে লিখতে হয়। লেখার পর শিক্ষার্থীরা তাদের খাতা পরিবর্তন করে নেয় এবং একে অপরের লেখার ভুল গোল চিহ্ন দিয়ে গুনে খাতায় লিখে রাখে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের সহায়তায় ভুল সংশোধন করে নেয়। এভাবে পাঁচ মিনিট লিখন (Five Minutes Writing) শিক্ষার্থীদের লেখার মান উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছে।
মোবাইল আপা প্রকল্প
“মোবাইল প্রযুক্তির মধ্যমে দুর্বল শিক্ষার্থী উন্নয়ন ও ঝরেপড়া রোধ করা”
এই প্রকল্পে একটি বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে শ্রেণিভিত্তিক বা এলাকাভিত্তিক ভাগ করে কয়েকজন নারী নেত্রীর অধীনে দেওয়া হয়। তিনি হতে পারেন অভিভাবক, এসএমসি সদস্য বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তি। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগের মাধ্যমে তিনি শিক্ষার্থীর সার্বিক অবস্থার খোঁজ খবর রাখবেন এবং অনিয়মিত বা অনাগ্রহী শিক্ষার্থীর পরিবারের সাথে যোগাযোগ করবেন। প্রয়োজনে এলাকার অন্যন্য বিভিন্ন পক্ষের সাথে সমন্বয় করে শিশুর সমস্যা দূর করার চেষ্টা করবেন।
যেহেতু ঝরেপড়া রোধ ও দুর্বল শিক্ষার্থী উন্নয়ন করাই মূল লক্ষ্য তাই যেকোন উপায়ই হোক শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে উপস্থিত করতে হবে এবং ঝরেপড়া রোধকল্পে গৃহীত সকল কার্যক্রমের মাধ্যমে এই শিক্ষার্থীকে নিয়মিত ফলোআপ করে একটি ভারসম্যপূর্ণ অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে। মোবাইল প্রযুক্তি, ভিডিও ক্লাস বা অন্যান্য অনলাইনভিত্তিক পাঠদানের সাথে শিশুকে সম্পৃক্ত করলে শিশুর মধ্যে বিজ্ঞানের প্রতি অসামান্য আগ্রহ তৈরি হয় যা একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ে তুলতে সহয়তা করবে।
হ্যাপি স্কুল
হ্যাপি স্কুল একটি শিক্ষার্থী ঝরেপড়া রোধে প্রযুক্তি, ভালোবাসা ও আনন্দভিত্তিক শিক্ষা উদ্যোগ।এই প্রকল্পে বিদ্যালয় হবে শিশুর নিরাপদ আশ্রয়, যেখানে শিশু শিখবে আনন্দময় পরিবেশে খেলতে খেলতে।
এ প্রকল্পে প্রযুক্তি, খেলাধুলা, সৃজনশীলতা, সহমর্মিতা, অভিভাবক সম্পৃক্ততা এবং শিশুমনোবিজ্ঞানের সমন্বয়ের মাধ্যমে বিদ্যালয়কে শিশুবান্ধব করা হবে।যেহেতু প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের বিজ্ঞানমনস্কতায় উদ্ভুদ্ধ করা তাই পাঠদানে যথাসম্ভব বিভিন্ন প্রযুক্তিগত উপকরণ শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়েই তৈরি করা এবং ব্যবহার করা চেষ্টা করা হবে। যাতে শিশুরা নিজেরা বিভিন্ন উপকরণ ভবিষ্যতে তৈরি করতে ও ব্যবহার করতে আগ্রহ পায়। এভাবে বিজ্ঞান বিষয়ে শিশুর মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করতে পারলে অদুর ভবিষয়তে একটি বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গড়ে উঠবে বলে আশা করছি।
নোটিশ বোর্ড
-
০৭/০৬/২৬ ইং তারিখ বিদ্যালয় খোলা! 31-05-2026
আগামী ০৭/০৬/২০২৬ ইং তারিখ থেকে বিদ্যালয় যথারীতি খোলা থাকবে। সকল শিক্ষার্থীকে খোলার দিন থেকেই বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হলো।
-
শনিবার বিদ্যালয় খোলা থাকা প্রসঙ্গে 03-04-2026
আগামী ০৪-০৪-২০২৬ ইং থেকে পরবর্তী ১০ টি শনিবার বিদ্যালয় খোলা থাকবে।
-
বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ৩০ ডিসেম্বর! 14-12-2025
আগামী ৩০ ডিসেম্বর,২০২৫ বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। সকল শিক্ষার্থীকে তার অভিভাবক সহ উপস্থিত থাকাতে হবে।
যোগাযোগের ঠিকানা
- মধ্য জ্ঞানপাড়া সঃ প্রাঃ বিঃ, পোস্টঃ মণিপুর, ইউনিয়নঃ নাচনাপাড়া।
- পাথরঘাটা, বরগুনা।
- +880 1726826921